1. info.thedailyworldreport@gmail.com : https://www.pencraftmagazine.com/ https://www.pencraftmagazine.com/ : https://www.pencraftmagazine.com/ https://www.pencraftmagazine.com/
  2. admin@www.pencraftmagazine.com : Pen Craft Magazine :
February 22, 2026, 10:08 pm
𝐇𝐞𝐚𝐝𝐥𝐢𝐧𝐞𝐬 :
কবিতায় ছন্দ একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ’কে মানবিক সহায়তার আবেদন। লন্ডনে কলামিস্ট ও গবেষক শাহ মনসুর আলী নোমান এর ‘বেস্ট ফিচার রাইটার’ অ্যাওয়ার্ড লাভ। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর কাছে সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত চিঠি। Poezii în patru arome diferite, Autor: Claudia Băluță যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারে ৭৫ কংগ্রেসম্যানের চিঠি PERDONAMI -Aytekin Karapaça – Turchia  (Tradotta in italiano da Claudia Băluță) গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬, কেন হ্যাঁ-না ভোট? শিক্ষক লেখক-প্রকাশক, শাহ্ আতিকুল হক কামালীর ইন্তেকাল বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ। স্বনামখ্যাত লেখক গবেষক ও সাংবদিক মতিয়ার চৌধুরী রচিত “নবীগঞ্জের ইতিকথা” ঐতিহাসিক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

কবিতায় ছন্দ

Md. Sadiqur Rahman Rumen
  • Update Time : Saturday, February 21, 2026,
  • 9 Time View

কবিতায় ছন্দ

সরদার ফারুক

কবিতা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে ছন্দের ব্যাপারটা অনিবার্যভাবে এসে পড়ে।। সবাই হয়তো সমান আগ্রহ বোধ করবেন না, তবু যারা এ বিষয়ে জানতে আগ্রহী, তাঁদের জন্য আমি কিছু সহজ ফর্মুলা জানাতে চাই। যদিও ছনদ বিষয়ে বইয়ের কোন অভাব নেই, তবু বইয়ের অ্যাকাডেমিক আলোচনা অনেকের কাছে দুর্বোধ্য হনে হতে পারে।

ছন্দ বিষয়ে আমার এ লেখা প্রখ্যাত ছান্দসিকদের লেখাগুলির বিকল্প নয়, বরং পরিপূরক। যারা আগে থেকেই জানেন, তাঁদের এ লেখা না পড়লেও চলবে। ব্যাকরনের বিচারে কতোটা শুদ্ধ সে বিচারে না গিয়ে, কিভাবে একজন কবিতাশ্রমিক

৩ ধরনের ছন্দ

আপনারা নিশ্চয় জানেন বাংলা কবিতার ছন্দকে মোটামুটি তিন ধরনের বলে ধরে নেয়া হয়। অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত আর স্বরবৃত্ত। মাত্রাবিচারের রীতিভেদে চন্দও পাল্টে যায়।

মাত্রা কাকে বলে?

সোজা কথাই মাত্রা মানে পরিমাপক অর্থাৎ ইউনিট অফ মেজার। জল মাপি লিটারে, কাপড় মাপি মিটারে আর ছন্দ মাপি মাত্রায়। কবিতার এক একটি পংক্তির মধ্যে যে ধ্বনিপ্রবাহ থাকে এবং তাকে উচ্চারন করার জন্য মোট যে সময় আমরা নিয়ে থাকি, সেই উচ্চারনকালের ক্ষুদ্রতম এক-একটা অংশই হল মাত্রা। প্রবোধচন্দ্র সেন তারই নাম দিয়েছেন কলা। কলা মানে এখানে অংশ।

ষোলকলায় যেভাবে চাঁদ পূর্ণ হয়, তেমনি কলা বা মাত্রার সমষ্টি দিয়ে তৈরি হয় পূর্ণ

এক-একটি পংক্তি (লাইন) উচ্চারনকাল।

কঠিন লাগছে? আরো সোজা ভাবেই মাত্রাবিচারের পদ্ধতি নিচে আলোচনা করবো।

অক্ষরবৃত্ত

বাংলা কবিতার খুবই বনেদি ছন্দ। রবীন্দ্রনাথের আগে, রবীন্দ্র কাব্যের সূচনাপর্বেও বাংলা কবিতা প্রধানত অক্ষরবৃত্তেই লেখা হয়েছে, এবং বিস্ময়করভাবে এখন পর্যন্ত অক্ষরবৃত্ত তার শীর্ষ আসন ধরে রেখেছে।

জীবনানন্দের গ্রণহভূক্ত কবিতার সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিনশো। এই মোট ৩৫২টি কবিতার ২৭৫টি অক্ষরবৃত্তে, মাত্রাবৃত্তে ১৬টি, স্বরবৃত্তে ৩৭টি এবং গদ্যছন্দে ২৪টি। ভেবে দেখুন। আমার জানা মতে বিনয় মজুমদার তাঁর সমস্ত কবিতা অক্ষরবৃত্তে লিখেছেন (উনি অবশ্য পয়ার বলতেন)। আমারতো মনে হয়, একজন কবি শুধুঅক্ষরবৃত্তে লিখেই কবিজীবন পার করে দিতে পারেন।

অক্ষরবৃত্তের মাত্রাগণনা

অক্ষরবৃত্তে মাত্রা গণনার নিয়ম মোটামুটি এই যে, এ ছন্দে যত অক্ষর বা বর্ণ, তত মাত্রা অর্থাৎ কিনা প্রতিটি অক্ষরই এখানে ১টি মাত্রার মর্যাদা পেয়ে থাকে। যেমন-

১/ শ্যামল সুন্দর প্রভুকমললোচন (১৪ মাত্রা-গুণে দেখুন)

২/ পোড়া প্রণয়ের বুঝি জরামৃত্যুনাই (১৪ মাত্রা)

 

সহজ ফর্মুলা

 

বিনয় মজুমদার

 

“বাংলা অক্ষরের উপরে যে মাত্রা দেয়া আছে আমি তাকেই মাত্রা বলি। যথা, ‘অ’ অক্ষয়ের উপর মাত্রা দেয়া আছে, সুতরাং অ অক্ষরে একটি মাত্রা। ‘ত’ অক্ষরে মাত্রা। দেয়া আছে সুতরাং ‘ত’ অক্ষরে একটি মাত্রা। ‘স্ক’ ‘ল্ল’ ইত্যাদিতেও একটি মাত্রা। অর্থাৎ অক্ষরবৃত্তে যুক্তাক্ষরেও একটিই মাত্রা। ‘খ’ তে মাত্রা নেই, তাই ‘উৎফুল্ল’ অক্ষরবৃত্তে ৩ মাত্রা, ‘হঠাৎ ২ মাত্রা। তিনটি অক্ষরও যদি যুক্ত থাকে যেমন-‘উচ্ছ্বলে’, ‘জু’ কে একমাত্রা গণনা করে মোট ৩ মাত্রা হবে।”

 

“এটাই নির্ভুল ও প্রাথমিক নিয়ম। অবশ্য এর পরেও অল্প কিছুছোটো নিয়ম আছে। স্বরবর্ণে ‘এ’ অক্ষরে, ‘ও’ অক্ষরে মাত্রা নেই। কিন্তু ‘এ’ অক্ষরে সর্বদাই এক মাত্রা ধারাতে হাতে। যেমন- ‘এসো’ ২ মাত্রা। ‘এখন’ ৩ মাত্রা।

 

‘ও’ অক্ষরে মাত্রা নেই। তবে অধিকাংশ শব্দেই ‘ও’ অক্ষরে একমাত্রা ধরতে হবে। অল্প কয়েকটি শব্দে ‘ও’ অক্ষরে শূন্য মাত্রা। ‘ওঠ’ ২ মাত্রা, কিন্তু ‘হাওয়া’, ‘যাওয়া’, ‘খাওয়া’, ‘চাওয়া (অর্থাৎ শব্দের শেষে ‘ওয়া’ থাকলে) ‘ও’ শূন্য মাত্রা। এগুলোকে ২ মাত্রা বলেই গণ্য করতে হবে।”

 

পূকেল করতে হবে সে বিশদ ব্যাখ্যাই না গিয়ে কেবল এই শব্দগুলো মনে রাখতে

 

“এবার ব্যঞ্জনবর্ণ। ব্যঞ্জনবর্ষে প্রকৃতপ্রস্তাবে ‘ও’ এবং ‘খ’- এই দুটি অক্ষরের উপরে অক্ষরের সঙ্গে মাত্রা আঁকা হয়না। বাঙহয়, কঙ্কাল, অঙ্ক এবং অনুরূপ সব। অন্য অক্ষর যুক্ত হয়ে যুক্তাক্ষর তৈরি হবার ফলে ফলে এই এই যুক্তাক্ষরে। এক মাত্রা ।। অর্থাৎ কঙ্কাল ৩ মাত্রা, ‘অঙ্ক’ ২ মাত্রা।

 

তবে শব্দের শেষে ‘ও’ থাকলে ‘ও’ অক্ষরে সর্বদাই একমাত্রা ধরতে হবে। যেমন ‘রঙ’ ২ মাত্রা। ‘খ’ শব্দের মাঝে থাকলে শূন্যমাত্রা। যেমন ‘উৎপ্রেক্ষা’ ৩ মাত্রা। আবার শব্দের শেষে থাকলে ‘২’ ১ মাত্রা দাবি করে, যেমন ‘প্রদোৎ’ ৩ মাত্রা। ‘হঠাৎ’ ৩ মাত্রা।”

 

‘মাত্রা গণনার নিয়মাবলী এখানে সমান্ত। বাংলা অভিধানের এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার-এর অধিক শব্দগুলির মাত্রাগণনা এই অল্প কটি নিয়ম দিয়েই আমি সারা জীবন করেছি।”

 

আমরা অক্ষরবৃত্তে মাত্রা গণণার নিয়ম আলোচনা করেছি। এবারে একটি পংক্তিতে (লাইনে) কয় মাত্রা বসানো যায় সেকথা বলছি। অক্ষরবৃত্ত ছন্দের চাল আসলে ৪ মাত্রার চাল। প্রতিটি পর্বে (অংশে) থাকে ৪টি মাত্রা শেষে থাকে ২ মাত্রার ভাঙা পর্ব। সোজা কথায় অক্ষরবৃত্তে মাত্রাসংখ্যার ফর্মুলা হচ্ছে ৪ এর গুণিতক+২।

 

যেমন:

 

৪×১+২=৬

 

৪x২+২=১০

 

৪×৩+২= ১৪

 

লাইন কেবল এই নিয়মে ১৮, ২২, ২৬, ৩০ এভাবে মাত্রাসংখ্যা হতে পারে। অবশ্য অত বড়ো

 

জীবনানন্দ দাশই লিখে গেছেন।

 

খেলাঘর/ভাঙে

 

*৬ মাত্রার পংক্তি ভেঙে দেখাই-

 

ঝড়ের আঘাতে।

 

*১০ মাত্রা ভেঙে দেখাই-

 

মুখ নেই/লোভ ফুটে/ আছে।

 

শিকারীর/সহজ উ/দ্যম

 

নিরঙ্কুশ/সফলতা/ আছে।

 

(উদাহরনগুলো এই অকবির রচনা বলে ভাল নাও লাগতে পারে)

 

*১৪ মাত্রা ভেঙে দেখাচ্ছি-

 

সহসাই/ফুঁসে ওঠে/কুলীন গো/দূর

 

অন্ধ রোষে/বিষ ঢালে/ নরম মাটিতে।

 

*১৮ মাত্রার উদাহরণ-

 

বজ্রের উল্লাসে খোলে/বৃক্ষদের/তৃষ্ণার দ/রোজা।

 

*২২ মাত্রার উদাহরন বিনয় মজুমদারের কবিতা থেকে-সুদূর স/মুদ্রজলে/ একটি গী/টার ভেসে/চলেছে এ/খন যখন স/কলে ডুবে/ নিশ্চিহ্ন হ/য়েছে/সব হারিয়ে গিয়েছে।

 

আর উদাহরণ বাড়াবো না। আপনারা ২৬ মাত্রা এমনকি ৩০ মাত্রার অক্ষরবৃত্ত জীবনানন্দ দাশের কবিতা থেকে নিজেরাই খুঁজে বের করুন।

 

আরো কিছু জরুরী কৌশল-

 

এভাবে ৪ মাত্রা করে লিখতে গেলে হয়রান হয়ে যাবেন ।তাই সহজ কায়দা হলো-দুটো মহাপর্বে লাইনটাকে ভাগ করে নেয়া। প্রথম মহাপর্বে থাকবে ৮মাত্রা, বাকি মাত্রাগুলো পরের মহাপর্বে অর্থাৎ ভাঙতে হবে নিচের নিয়মে।

 

(*৬ মাত্রা এভাবে ভাঙার কিছুনেই)

 

১০ মাত্রা-৮+২

 

১৪ মাত্রা ৮৭৬

 

১৮ মাত্রা-৮+১০

 

২২ মাত্রা-৮+১৪

 

এইভাবে ব্যাকিগুলো আপনারা ভেঙে নিন। এই নিয়মে ভাঙলে লাইনের নতুন চেহারা হবে-

 

সম্রাজ্ঞীর মতো চোখে/তার খেলা করে

 

অযুত গোলাপ, আর/ পাতক কীটেরা

 

কুরে কুরে খায় সেই/চোখের ঐশ্বর্য

 

তীর হিমে ক্ষয়ে যায়/ফুলের প্রতিভা।

 

(অধমের অক্ষম কবিতাকে নিজ গুণে ক্ষমা করবেন।)

 

এরপরে সবচে’ জরুরী কথা হচ্ছে, প্রথম ৮ মাত্রার মহাপর্বকে না ভাঙার চেষ্টা

 

করবেন। যেমন এভাবে ভাঙবেন না-

 

তোমাদের এখানে পা/হাড়ী ঝর্ণা আছে?

 

*এভাবে ভাঙলে একবারে অশুদ্ধ হবেনা, তবে পাঠকের পড়তে কষ্ট হবে। তাই যতটা সম্ভব ৮ মাত্রার প্রথম মহাপর্বকে অক্ষণণ রাখতে চেষ্টা করবেন।

 

অক্ষরবৃত্তের আরো কিছু নিয়ম

 

শব্দের পরে শব্দ গাঁথারও একটা নিয়ম আছে ছন্দের জাদুকর নামে খ্যাত কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত একটা সোজা কথা বলে দিয়েছেন- বিজোড়ে বিজোড় গাঁথো, জোড়ে গাঁথো জোড়। অর্থাৎ বিজোড় শব্দের সাথে বিজোড় শব্দ এবং জোড় শব্দের সাথে জোড় শব্দ ব্যবহার করবেন। কেন করবেন? কারণ তাহলে পাঠকের কান আহত হয়না।

 

কখনো নিচের নিয়মে সাজাবেন না-

 

০০২৮৩, ৫৫২০১,২০৩০৩,কেউ কেউ অবশ্য ৫০৩ ও বিষেণ করেন। অবশ্য ৩০৫ ১০ আছে জরুরী একটা খুলে বসে আছি। এখন অক্ষরবৃত বেশির ভাগই অমিল মুক্তকে লেখা হয়। অমিল তো বুঝতেই পারছেন অন্ত্যমিল নেই (অবশ্য অন্ত এমিলেও দারুণ কবিতা লেখা যায়), আর যুক্তক মানে বিভিন্ন লাইনের বিভিন্ন দৈদা হতে পারে একই কবিতায়। যেমন এক লাইনে ১৪ আবার পরের লাইনে ১০ তারপর আবার ৬ কিংবা বা ১৮, কবির প্রয়োজনে অথবা ইচ্ছায়।

 

অক্ষরবৃত্ত নিয়ে আরো একটু-

 

আমরা আগেই অক্ষরবৃত্তের সাধারন নিয়মগুলো জেনে নিয়েছি। মোটের ওপর এখানে অক্ষর আর মাত্রার সংখ্যা সমান সমান। ব্যতিক্রমগুলোও অবশ্য আগেই উল্লেখ করেছি। তার চাইতে জরুরী কথা হচ্ছে, অক্ষর আর যুক্তাক্ষর এ ছন্দে একই মাত্রা পায়। অক্ষরবৃত্তের লাইনে যদি যুক্তাক্ষর-সংবলিত শব্দ ঠেসেও বসান তবু পার্থক্য হবে নামনে রাখতে হবে অক্ষরবৃত্ত সংকোচনের ছন্দ, সংশ্লেষনের ছন্দ। আর একটুএগিয়ে গিয়ে বলি- দুটি অক্ষর যদি দৃশ্যত

 

পরস্পরের সাথে যুক্ত নাও থাকে, কিন্তুকানের বিচারে পরস্পরের সাথে জুড়ে থাকে, সেক্ষেত্রে ইচ্ছে করলে আপনি মাত্রা কমিয়েও বিচার করতে পারবেন। এখানেই অক্ষরবৃত্তের সংশ্লেষনী ক্ষমতা। উদাহরন দেই-

 

“চারজন হাড়গিলে -ছোকরা ঘুরবার বাতিকে কাতরাতে কাতরাতে চলল হাতরাসের দিকে “

 

-পরিষ্কার। ভাবে ১৮ মাত্র মাত্রার অক্ষররবৃত্ত। চোখের কাছে ওদের এরকমই চেহারা, কিন্তু কানের কাছে ওদের চেহারা অন্যরকম-

 

হার্গিলে ছোক্রা ঘুর্বার বাতিকে

 

ত্রাতে কাত্রাতে চল্ল হাত্রাসের দিকে”

 

-হয়ে সঙ্কোচনে চলবেনা। গেল ১৪ মাত্রা। দুটোই কিন্তুঅক্ষরবৃত্তে সঠিক। এখানে কবি ইচ্ছে করলে ঙ্কাচনের স্বাধীনতা নিতে পারেন।তবে ডাবল স্টান্ডার্ড কিন্তুএকই কবিতায় বা। অর্থাৎ একই কবিতায় সঙ্কোচন (কানের মাপে) আর প্রসারন (চোখের যা করবেন একটি কবিতায় একই ভাবে বিচার করবেন। আপনাদের এখনই অনুশীলন করতে হবে এমন নয়, তবে এটুকু না জানলে অক্ষরবৃত্ত সম্পর্কে জানাটা অসম্পূর্ণ। থেকে যেতো।

সংগ্রহ-সালেম সুলেরী

প্রকাশিত: বিশ্ব বাংলা সাহিত্য পরিষদ-সিরাজগঞ্জ, এর আয়োজনে আন্তর্জাতিক কবি সম্মেলনের স্মারকগন্থ “ধ্বনি” ২০১৩।

More News Of This Category
© All rights reserved. pencraftmagazine.com-2025
 
Theme Customized BY LatestNews