১.
নবীগঞ্জের ইতিকথা লেখক মতিয়ার রাহমান চৌধুরী।
প্রথম প্রকাশ জুলাই ১৯৮৫, দেশকাল প্রকাশনী সিলেট থেকে প্রকাশক: শাহ নাছির উদ্দিন মৌলদ, জিয়া-উস-শামস শাহীন।
মুদ্রন বর্ণমালা প্রেস, সিলেট। বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে লেখকের পিতা, মরহুম রফিকুল হক চৌধুরীকে।
প্রথম সংস্করণ প্রকাশ ডিসেম্বর ২০২৫, প্রকাশক মোহাম্মদ নওয়াব আলী, সত্ত্বাধিকারী বাসিয়া প্রকাশনী, সামসুদ্দিন হাউস স্টেশন রোড সিলেট।
লেখক মতিয়ার চৌধুরী স্থায়ীভাবে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত। নবীগঞ্জের ইতিকথা প্রথম সংস্করণ মুদ্রণ সম্পন্ন হলে, তিনি বইটি প্রকাশনী থেকে আমার জিম্মায় নিয়ে আসতে অনুরোধ করেন। আমি বইটি সংগ্রহ করে পরবর্তীতে পার্সেল যোগে উনার কাছে যুক্তরাজ্যে পাঠাই। এবং দেশের বিভিন্ন সরকারি গণ-গ্রন্থাগার, বেসরকারি পাঠাগার, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদগ্ধ গুণীজন, লেখক গবেষক সুধীজনের কাছে, বইটি আমি বিতরণ করি, কিছু লাইব্রেরী ও বই বিপণীতেও দেই। এছাড়া নবীগঞ্জের তরুণ সাংবাদিক কবি ও গীতিকার এম মুজিবুর রহমান শতাধিক কপি বই নবীগঞ্জে বিতরনের জন্য আমার কাছ থেকে নিয়ে যান। এবং সেখানে দেশের প্রখ্যাত লেখক, আলোচক, সাংবাদিক ও সমাজের গন্যমান্য সুধীজনের উপস্থিতিতে, বইটির মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে লন্ডনে যথাযোগ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
২.
নবীগঞ্জের ইতিকথা এক বৃহৎ কলেবর ইতিহাস গ্রন্থ, লেখক বইটি রচনার পটভূমি বর্ণনা করেছেন, লেখকের কথা শিরোনামা সংক্ষিপ্ত এক পৃষ্ঠায়। প্রথম প্রকাশের ভূমিকা-১ লিখেছেন প্রফেসর মোঃ আব্দুল আজিজ, অধ্যক্ষ সিলেট বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, সেখানে তারিখ নির্দেশ ২১-০৪-১৯৮৫। ভূমিকা-২ লিখেছেন মুহম্মদ নুরুল, হক, সম্পাদক আল-ইসলাহ, সচিব কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ সুলেমান হল, সিলেট। ভূমিকা-৩ লিখেছেন বিশিষ্ট ইতিহাস ঐতিহ্য গবেষক, মনির উদ্দিন চৌধুরী, গ্রাম ও পোস্ট: জহিরপুর, উপজেলা জগন্নাথপুর।
অন্যদিকে চলতি প্রকাশনা প্রথম সংস্করণের ভূমিকা লিখেছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত বরেণ্য লেখক ও গবেষক, ফারুক আহমদ, লন্ডন যুক্তরাজ্য প্রবাসী।
তারিখ নির্দেশ, ৩০ নভেম্বর ২০২৫।
৩.
বইটি প্রথম প্রকাশিত হওয়ার পর ইতিমধ্যে প্রায় চল্লিশ বছর গত হয়েছে, এই সময়সীমায় বইটি দেশ বিদেশে, সুধী পাঠক লেখক গবেষক, সাংবাদিক কলামিস্ট সমাজে, ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, তার প্রমাণ স্বরূপ উল্লেখ করা যায়: বাংলা একাডেমি এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বহু গ্রন্থে নবীগঞ্জের ইতিকথা রেফারেন্স হিসেবে বারবার ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া আরও শতাধিক গ্রন্থে এই বইটির তথ্য উপাত্ত রেফারেন্স হিসেবে ধার করা হয়েছে, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য: সিলেট-ইতিহাস ও ঐতিহ্য শরীফ উদ্দিন আহমদ, সম্পাদিত, বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতি, ঢাকা (১৯৯৯)। সিলেটের রেফারেন্ডাম ও জনপ্রতিনিধি, সৈয়দ মোস্তফা কামাল, সিলেট (২০০২)।
সিলেট বিভাগের গবেষক ও গবেষণা প্রথম খণ্ড, রব্বানী চৌধুরী, ঢাকা (২০০৪), বৃহত্তর সিলেটের ইতিহাস প্রথম খণ্ড, মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ সম্পাদিত, সিলেট (১৯৯৭), সিলেটের শতবর্ষের সাংবাদিকতা মহিউদ্দিন শিরু (১৯৯৮), জালালাবাদের কথা, বাংলা একাডেমি, ঢাকা, দেওয়ান নুরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী (১৯৯৭)। সিলেট বিভাগের ইতিবৃত্ত ডা. মোহাম্মদ মুমিনুল হক, ইউকে (২০০১), ইসলামী বিশ্বকোষ ত্রয়োদশ খণ্ড, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ঢাকা (১৯৯২), ইসলামী বিশ্বকোষ ৫ম খণ্ড, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ঢাকা (১৯৮৮), ইসলামী বিশ্বকোষ ৭ম খণ্ড, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ঢাকা (১৯৯০), হযরত শাহজালাল (র.), দেওয়ান নুরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ঢাকা (১৯৮৭), সিলেট বিভাগের ইতিহাস, দেওয়ান নুরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, ঢাকা (২০০৬), বাংলালিপির উৎস ও বিকাশের অজানা ইতিহাস, ডা. এস. এম. লুৎফুর রহমান, বাংলা একাডেমি, ঢাকা (২০০৫), হবিগঞ্জ পরিক্রমা, সৈয়দ মোস্তফা কামাল ও ডা. মোহাম্মদ আফজাল, সিলেট (১৯৯৪), দেওয়ান নুরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী জীবন ও কর্ম, বিচারপতি সৈয়দ মোদাসসের, ঢাকা (১৯৯৮), মৌলভীবাজার জেলার ইতিহাস ঐতিহ্য, রব্বানী চৌধুরী (২০০১), হবিগঞ্জের সাহিত্যাঙ্গন, নন্দলাল শর্মা (১৯৯০) ইত্যাদি।
৪.
সুদীর্ঘ চার দশকের ব্যবধানে বইটি প্রায় দুর্লভ ও দুষ্প্রাপ্য হয়ে যায়। দেশ বিদেশের ইতিহাস অনুসন্ধিৎসু পাঠক লেখকদের অনুরোধে, গ্রন্থ প্রণেতা মতিয়ার চৌধুরী বইটির বর্তমান প্রথম সংস্করণ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এই সংস্করণে ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় নবীগঞ্জ উপজেলার চলতি ইতিহাস ঐতিহ্যের অনেক নতুন তথ্য উপাত্তের সংযোজনে বইটির ঐতিহাসিক মুল্য আরো বহুগুনে বৃদ্ধি হয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই। কোন জনপদ ও জনগোষ্ঠীর ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত গবেষণা ও লিপিবদ্ধ করতে গেলে, লেখককে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের প্রয়োজনে, স্থান থেকে স্থানান্তরে ঘুরে ঘুরে ঐতিহাসিক মাল মসলা যোগার করতে হয়। উদ্দিষ্ট অঞ্চল ও তাঁর পারিপার্শ্বিক স্থানকাল পাত্রের আদিকথা জানতে পড়তে হয় ব্যাপক বই পুস্তক। এতে কায়িকশ্রম ও আর্থিক সক্ষমতা দুটোরই প্রয়োজন। আলোচ্য ইতিকথা প্রথম প্রকাশ ও প্রণয়ন কালে লেখক বয়সে তরুণ এবং একজন নিবিড় তথ্যানুসন্ধানী সাংবাদিক ছিলেন। সর্বোপরি একটি বনেদি ঐতিহ্যবাহী ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান হওয়ায় এই ব্যয়বহুল ও শ্রম সাধ্য কাজে হস্তক্ষেপ করতে তিনি সাহসী হয়েছেন, এবং এতে সাফল্য অর্জন করেছেন, একথা আমরা ভাবতেই পারি।
কিন্তু এতে তাঁর অনুসন্ধানী গবেষণা বৃত্তি ও সৃজনশীল প্রতিভার প্রতি সুবিচার হয়না, ধনী-গরীব যাইহোক, কোন কোন মানুষ প্রকৃতিগত ভাবেই সৃজন বেদনা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন। আর এই ব্যথা বেদনাই তাঁকে পরবর্তী জীবনে সৃষ্টিশীল কবি লেখক, সাহিত্যিক গবেষক, ইত্যকর্মে বাধ্য করে, মতিয়ার চৌধুরীর ক্ষেত্রে আমি তাঁর ব্যাতিক্রম মনে করিনা, তিনি স্বভাবগত জাত লেখক।
৫.
নবীগঞ্জের ইতিকথা একটি উপজেলা বা জনপদের ইতিহাস, আপাতদৃষ্টিতে বইয়ের নামকরণ আমাদেরকে এই নির্দিষ্ট তথ্য দেয়। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ তথা বঙ্গভূমি এবং অখণ্ড সিলেট ভূমি থেকে নবীগঞ্জ কোন বিচ্ছিন্ন জনপদ নয়। সুতরাং নবীগঞ্জের ইতিহাস লিখতে গিয়ে ঘটনা পরম্পরায় লেখককে সমগ্র বাংলাদেশ তথা সিলেট বিভাগের ইতিহাসের গলিঘুপচি তন্ন তন্ন করে খুঁজতে হয়েছে। বইটি আগাগোড়া পড়লে পাঠক তা নিশ্চয়ই হৃদয়ঙ্গম করতে পারবেন। অপরদিকে নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ জেলার অন্তর্গত উপজেলা, সুতরাং হবিগঞ্জের ইতিহাস ঐতিহ্য তর্পণ না করে নবীগঞ্জের আসল স্বরূপ উদঘাটন করা যায়না। পাশাপাশি এই জেলাধীন নবীগঞ্জের সীমান্তবর্তী উপজেলা সমূহের দিকে পৃষ্ঠ ফিরিয়ে আসল নবীগঞ্জের চেহারা দেখা যায়না। অতএব স্বাভাবিক কারণেই লেখককে সামগ্রিক হবিগঞ্জ জেলা ও নবীগঞ্জের পার্শ্ববর্তী উপজেলা গুলোর স্থান কাল পাত্র মিত্রের খোঁজ খবরও নিতে হয়েছে।
এবং মতিয়ার চৌধুরী এই কাজ অত্যন্ত নিষ্ঠা ও বিশ্বস্ততার সহিত করেছেন। লেখকের এবংবিধ বিপুলায়তন কর্মকাণ্ডে নবীগঞ্জের ইতিহাস গ্রন্থের আড়ালে, সামগ্রিক বাংলা ভূখণ্ডের ইতিহাস ঐতিহ্যের বিভিন্ন বাখান উপাখ্যানের সুরভী সুগন্ধ আমরা তাঁর লেখনীতে পাই।
তিনি সযত্নে নবীগঞ্জের নামকরণ থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধে নবীগঞ্জবাসীর অংশগ্রহণ অবদান ও আত্মত্যাগ, এ অঞ্চলে পাক হানাদার ও তাদের দোসর রাজাকার আলবদর আল শামস বাহিনীর গণহত্যা নিপীড়ন নির্যাতনের কাহিনী তুলে এনেছেন। স্থানে স্থানে ইতিহাস ঐতিহ্যের স্মারক, অনেক দুর্লভ ছবি সংগ্রহ করে মুদ্রন করেছেন বইয়ে। নবীগঞ্জ অঞ্চলের বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের পীর দরবেশ, মুণি ঋষি, মরমী ভাবুকের জীবন চরিত, আচার উপাচার, রীতিনীতি সমাজনীতিসহ, যাপিত জীবনের মুল্যবোধ সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে।
আলোচ্য জনপদের জল স্থল মাটি ও মানুষ, হাওর বাওর নদীনালা, মাঠ রাস্তাঘাট, হাট বাজার, মসজিদ, মন্দির, মোকাম মাজার, আখড়া তীর্থস্থান, শিক্ষাপীঠ শিক্ষাদীক্ষা, ব্যবসা বাণিজ্য, সংস্কৃতি লোক সংস্কৃতি, শিল্প সাহিত্য, সমাজ রাজনীতি, স্থানীয় শালিসি পঞ্চায়েত ও বিচার ব্যবস্থা, সে অঞ্চলের বহু গুণীজন স্ব ক্ষেত্রে কৃতি ও বরেণ্য জন, রাজনৈিতক কুটনীতিক আমলা, কবি লেখক শিল্পী সাহিত্যিক, নট নাট্যকার, গায়ক বাদক ও স্থানীয় পঞ্চায়েতের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সংক্ষিপ্ত জীবনালেখ্য কিছুই বাদ পড়েনি। তিনি সাধ্যমত চেষ্টা করেছেন তাঁর সমকালে দেখাশোনা, এবং পূর্ব কালের ইতিহাস ঐতিহ্যের স্মারক বই পুস্তকের ব্যাপক পড়াশোনা, সব কিছু মিলিয়ে ঐতিহ্যবাহী নবীগঞ্জ অঞ্চলের স্থানীয় ইতিহাসের মর্মভেদী এক ইতিকথা লিখতে। এতে তিনি কতটুকু সফল হয়েছেন তার বিচার বিশ্লেষণের ভার, ভবিষ্যতের উপর রইলো। কিন্তু বইটি বর্তমান ইতিহাস অনুসন্ধিৎসু প্রজন্ম ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পাঠক লেখক গবেষকের কাছে এক মুল্যবান দিশা ও দলিল হিসেবে বিবেচিত হবে এতে আমরা নিঃসন্দেহ।
৬.
আলোচনার কলেবর বৃদ্ধি হচ্ছে, তথাপি বইটির আলোচ্য বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্য পাঠকের সামনে তুলে ধরতে বইটির সূচিপত্র উৎকলিত করবার লোভ সামলাতে পারলাম না।
(সূচিপত্র)
প্রথম অধ্যায় - পৃ: ২৫-৬৬
নবীগঞ্জ নামকরণ পৃ: ২৫, নবীগঞ্জ বাজার প্রতিষ্ঠা ও তরফের জমিদারের মামলা-পৃ: ২৫, সিলেট অঞ্চলের আভিজাত্যের বড়াই -পৃ: ২৬, সিলেট বিভাগ পতিষ্ঠার পেছনের ইতিহাস পৃ:২৮, ইতিহাসে সিলেট-পৃ:২৯, বর্তমান সীমানা-পৃ: ৩০, সিলেট নামের অন্তরালে-পৃ:৩০, প্রাচীন আমলে সিলেট-পৃ:৩১, সিলেটের প্রাচীন রাজ্যসমূহ-পৃ:৩২, ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্টির শ্রীহট্টের দশটি রাজস্ব জেলা ও উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পরগনা-পৃ:৩৫, নবীগঞ্জ রাজস্ব জিলা-পৃ:৩৫, নবীগঞ্জ মুন্সেফি আদালত-পৃ:৩৬, নবীগঞ্জ থানা থেকে উপজেলা-পৃ:৩৭, নবীগঞ্জের প্রথম থানা নির্বাহী অফিসার (টিএনও) পৃ:৩৮, নবীগঞ্জের প্রথম উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট বাবু চম্পক কিশোর রায়-পৃ:৩৯, একনজরে নবীগঞ্জ-পৃ:৩৯, বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র-পৃ:৪২, আধুনিক হবিগঞ্জ জেলা-পৃ:৪৫, প্রাচীন ও মধ্য যুগে সিলেট-পৃ:৪৪, লাউড় রাজ্য-পৃ:৪৫, সিকন্দর গাজীর গৌড় অভিযান-পৃ:৪৬, হযরত শাহজালাল (র.)-এর সিলেট বিজয়ের পর-পৃ:৪৮, সিলেটের পথে হযরত শাহজালাল (র.) চৌকির যুদ্ধ-পৃ:৪৮, দিনারপুরের জমিদারদের আরাকানে আশ্রয় গ্রহণ-পৃ:৪৯, দিনারপুরের ঐতিহাসিক বিবরণী-পৃ:৫০, শাহ তাজ উদ্দিন কোরেশী (র.)-পৃ:৫১, গুলবর খান ও দিনারপুরের আট জমিদার পরিবার-পৃ:৫২, রাব্বি চৌধুরীর নেতৃত্বে দিনারপুরের গণবাহিনী-পৃ:৫৪, প্রসঙ্গ ১০নং তালুক-পৃ:৫৫. প্রসঙ্গ গাজী পরিবার-পৃ:৫৫, দিনারপুরের দরগা সমূহ-পৃ:৫৫, নিজাম উদ্দিন গোরী-পৃ:৫৬, ফুলতলার অলৌকিক পানির উৎস-পৃ:৫৬, অমৃত কুণ্ড-পৃ:৫৭, এক এন্ডার মসজিদ-পৃ:৫৮, নবীগঞ্জের কয়েকটি প্রাচীন ধর্মীয় উপাসনালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাট বাজারের সংক্ষিপ্ত বিবরণ-পৃ:৬০, প্রাচীন কয়েকটি মসজিদ-পৃ:৬০, মন্দির ও আখড়াসমূহ-পৃ:৬০, নবীগঞ্জের রথযাত্রা উৎসব-পৃ:৬০, আউশকান্দি হিরাগঞ্জ বাজার-পৃ: ৬১, এনায়েতগঞ্জ বা ইনাতগঞ্জ বাজার-পৃ:৬১, বাজার ছৈদপুর বা সৈয়দপুর বাজার-পৃ:৬২. হায়দরগঞ্জ বাজার-পৃ:৬৩, আজীমগঞ্জ বাজার-পৃ:৬৩, আগনা মিশনারি হাইস্কুল-পৃ:৬৪, আউশকান্দি রশিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়-পৃ:৬৪. যুগল কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়-পৃ:৬৫, দীঘলবাক উচ্চ বিদ্যালয়-পৃ:৬৬।
দ্বিতীয় অধ্যায়
পৃ:৬৭-১০১
গ্রামপঞ্চায়েত ও গ্রাম পুলিশ অ্যাক্ট ইন্ডিয়া-পৃ:৬৭, স্থানীয় সরকারের সার্কেল পদ্ধতি-পৃ:৬৭, সরপঞ্চ আমলে নবীগঞ্জের কয়েকটি সার্কেলের সরপঞ্চায়েতের আংশিক তালিকা-পৃ:৭১, ইউনিয়ন কাউন্সিল-পৃ:৮৩, ১নং বড়ভাকৈর (পশ্চিম)
পরিষদ -পৃ:৮৩, ২ নং পূর্ব বড়ভাকৈর ইউনিয়ন পরিষদ-পৃ:৮৩, ৩ নং ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ -পৃ:৮৪, ৪ নং দীঘলবাক ইউনিয়ন পরিষদ-পৃ:৮৫, ৫ নং আউশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ -পৃ:৮৫, ৬নং কুর্শি ইউনিয়ন পরিষদ -পৃ:৮৬, সৈয়দ আজিজুর রহমান (কনর মিয়া)-পৃ:৮৬, জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান-পৃ:৮৭, ৭ নং করগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ-পৃ: ৮৯, আব্দুর রউফ-পৃ:৯০, ৮নং নবীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ-পৃ:৯১, বাবু শ্যামাপ্রসন্ন দাসগুপ্ত (বিধুবাবু)-পৃ:৯১, ৯নং বাউশা ইউনিয়ন পরিষদ- পৃ:৯৩, ১০ নং দেবপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ-পৃ:৯৪, ১১নং গজনাইপুর ইউনিয়ন পরিষদ-পৃ:৯৪, ১২ নং কলিয়ার ভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ-ও ১৩নং পানি উমদা ইউনিয়ন পরিষদ-পৃ:৯৫, ইউনিয়ন কাউন্সিল ভাইস চেয়ারম্যান-ও নবীগঞ্জ পৌরসভা-পৌর প্রসাশকগণের নাম ও কার্যকাল-পৃ:৯৬, চেয়ারম্যানগণের নাম ও কার্যকাল- মেয়রগণের নাম ও কার্যকাল-থানা/উপজেলা পরিষদ-পৃ:৯৭, উপজেলা চেয়ারম্যানগণের নাম ও কার্যকাল-উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানগণের নাম ও কার্যকাল-উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানগণের নাম ও কার্যকাল-পৃ:৯৮, দেওয়ান গোলাম সরওয়ার হাদী গাজী-পৃ:৯৮, জেলা পরিষদ-পৃ:১০০, জেলা পরিষদ হবিগঞ্জ-পৃ:১০১, ডা. মুশফিক হোসেন চৌধুরী-পৃ:১০১
তৃতীয় অধ্যায়
পৃ: ১০২-১২৯
বিভিন্ন সময়ে ইস্টবেঙ্গল অ্যান্ড আসাম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য-পৃ:১০২, কাউন্সিল অফ দ্য চিফ কমিশনার অব আসাম ফর মেইকিং লজ অ্যান্ড রেগুলেশন-পৃ:১০২, প্রথম লেজিসলেটিভ কাউন্সিল-পৃ:১০৪, দ্বিতীয় লেজিসলেটিভকাউন্সিল ১৯২৩-পৃ: ১০৪, তৃতীয় লেজিসলেটিভ কাউন্সিল ১৯২৬-পৃ: ১০৪, চতুর্থ লেজিসলেটিভ কাউন্সিল ১৯২৯-পৃ:১০৫, পঞ্চম লেজিসলেটিভ কাউন্সিল ১৯৩৪-১৯৩৭-পৃ: ১০৫, সপ্তম লেজিসলেটিভ কাউন্সিল ১৯৩৭-১৯৪৫-পৃ: ১০৫, আসাম লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি ১৯৪৬-১৯৪৭-পৃ:১০৫, খান বাহাদুর উপাধি প্রত্যাখ্যানকারী নবীগঞ্জের কৃতী সন্তান দেওয়ান আব্দুর রহিম চৌধুরী-পৃ:১০৬, আসামের শিক্ষামন্ত্রী ও কূটনীতিক মোসাব্বির হোসেন চৌধুরী-পৃ:১০৬, ভারত বিভক্তি ও সিলেটের রেফারেন্ডাম ১৯৪৭-পৃ:১০৮, সাংবাদিক বাজনীতিক মামুন চৌধুরী-পৃ:১১৫, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অগ্রসৈনিক কংগ্রেস নেতা অ্যাডভোকেট কামিনী কুমার দেব-পৃ: ১১৫, আসাম প্রাদেশিক কংগ্রেসের সভানেত্রী ও ভাষাসৈনিক জোবায়দা রহিম চৌধুরী-পৃ:১১৬, স্বাধীনতা সংগ্রামী মৌলভী আব্দুর রশিদ চৌধুরী-পৃ:১১৮, স্বদেশি আন্দোলনের নেতা ডা. আলী আসগর নুরী চৌধুরী-পৃ:১১৯, গণ সালিশি বোর্ডের সদস্য ও অনারারি
ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুর রশিদ চৌধুরী (ছনাওর মিয়া)-পৃ:১২২, রেফারেন্ডামের প্রথম কাতারের সৈনিক খানবাহাদুর আব্দুল হাই চৌধুরী (১৮৮৮-১৯৬৩)-পৃ:১২৩, মাওলানা রেদওয়ান উদ্দিন চৌধুরী-পৃ:১২৪, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা দেওয়ান মুজিবুর রহমান চৌধুরী-পৃ:১২৫, আলহাজ্ব হাফেজ আব্দুল লতিফ-পৃ:১২৬, হাজী আরজু মিয়া-পৃ:১২৭, কৃষক আন্দোলন-পৃ:১২৭, অসহযোগ আন্দোলনে নবীগঞ্জবাসীর ভূমিকা-পৃ:১২৮, তবলীগ আন্দোলন-পৃ:১২৮, রামদয়াল ভট্টাচার্য-পৃ:১২৯
চতুর্থ অধ্যায়
পৃ: ১৩০-১৫৯
পাকিস্তান আমলে এই আসনের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে সদস্য ছিলেন যাঁরা-পৃ:১৩০, দেওয়ান মোয়াজ্জেম আহমদ চৌধুরী-পৃ:১৩০, ১৯৫৪-এর নির্বাচন-পৃ:১৩১, দেওয়ান তৈমুর রাজা চৌধুরী-পৃ:১৩১, ১৯৭০ সালের পাকিস্তানের সর্বশেষ নির্বাচন-পৃ:১৩২, জেনারেল (অব.) এম. এ. রব-পৃ:১৩২, প্রাদেশিক পরিষদ-পৃ:১৩৩, আব্দুল আজিজ চৌধুরী-পৃ:১৩৪, গণপরিষদ-পৃ:১৩৭, স্বাধীন বাংলাদেশে এ যাবৎ নবীগঞ্জের যাঁরা জাতীয় সংসদের সদস্য হয়েছেন-পৃ:১৩৭, জাতীয় সংসদে নবীগঞ্জের যাঁরা সংরক্ষিত আসনের এমপি-পৃ:১৩৯, বৃহত্তর সিলেটের প্রথম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা সাংসদ বেগম আবেদা চৌধুরী-পৃ:১৪০, প্রবাসী নেতা আব্দুল মান্নান (ছানু মিয়া) এমপি-পৃ:১৪১, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংসদ ও কণ্ঠ শিল্পী মাহবুবুর রব চৌধুরী সাদী-পৃ:১৪৭, রাজনীতিবিদ ইছমত আহমদ চৌধুরী-পৃ:১৪৮, সিলেটের মাটি ও মানুষের নেতা দেওয়ান ফরিদ গাজী-পৃ:১৪৯, খলিলুর রহমান চৌধুরী (রফি)-পৃ:১৫১, শেখ সুজাত মিয়া এমপি-পৃ:১৫২, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা অর্থনীতিবিদ সেগুফতা বখত চৌধুরী-পৃ:১৫৪, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ২১শে পদক বিজয়ী ড. নাজমা চৌধুরী-পৃ:১৫৬, অর্থনীতিবিদ কূটনীতিক ও সাবেক সফল অর্থমন্ত্রী শাহ এ. এম. এস. কিবরিয়া-পৃ:১৫৭
পঞ্চম অধ্যায়
পৃ: ১৬০-১৮৬
সিলেটি নাগরী সাহিত্য ও মরমিদের ভাবনা-পৃ:১৬০, বাংলাদেশের প্রথম মহিলা কবি নবীগঞ্জের সৈয়দা ছামিনা ভানু-পৃ:১৬০, মরমি সাধক সৈয়দ শাহানূর (র.)-পৃ:১৬১, শাহ দ্বীন ভবানন্দ-পৃ:১৬৭, দ্বীন ভবানন্দকে ছিনতাইয়ের ব্যর্থ চেষ্টা-পৃ:১৭০, সিলেটি নাগরী ভাষার কবি শ্রীমান আব্দুস ছমেদ চৌধুরী-পৃ:১৭১, শাহ জলফুকার আলম চিশতী-পৃ:১৭২, সিলেটি নাগরী ভাষার কবি কৃষ্ণদেব ভট্টাচার্য-পৃ:১৭৩, আব্দুল কাদিম চৌধুরী-পৃ:১৭৪, মুন্সি আলীমুল্লাহ-পৃ:১৭৫, বৈষ্ণব কবি বিপিন গোস্বামী-পৃ:১৭৫, সুফি সাধক দেওয়ান আলী আজগর চৌধুরী-পৃ:১৭৬, সাধক কবি শ্রী রাম দুলাল-পৃ:১৭৭,
সাধক প্যারী মোহন দাস-পৃ:১৭৭, ধীরেশ চন্দ্র দাস-পৃ:১৭৮, মরমি কবি যশোদা গোস্বামী-পৃ:১৭৮, মরমি কবি আরফুল উল্লাহ-পৃ:১৭৯, কবি রসময় দাশ-পৃ:১৮০, মরমি কবি বীরেন্দ্র কুমার রায়-পৃ:১৮১, বাউল আবিদ আলী খান-পৃ:১৮২, পল্লিকবি আব্দুর রহমান খান-পৃ:১৮৩, শাহ রুহুল আমিন চিশতী-পৃ:১৮৪, শাহ সাজ্জাদুর রহমান-পৃ:১৮৫, মরমি কবি যশোদা গোস্বামী-পৃ:১৮৬
ষষ্ঠ অধ্যায়
পৃ: ১৮৭-২০৫
সিলেটি ভাষা-পৃ:১৮৭, সিলেটি ভাষার জন্ম এবং নাগরীর প্রচলন সম্পর্কে গবেষকদের মতামত-পৃ:১৮৯, সংবাপত্র ও নাটক সিনেমায় সিলেটি ভাষা-পৃ:১৯৬, ব্রিটেনে অফিস আদালতে সিলেটি ভাষা-পৃ:১৯৭, 'সিলটি' ভাষা পুনঃপ্রচলন-পৃ:১৯৭, সিলেটি-নাগরী ও অন্যান্য প্রসঙ্গ-পৃ:১৯৮, সিলেটি ভাষার প্রস্তাব গৃহীত-পৃ:১৯৯, সিলেটি ভাষা একটি স্বতন্ত্র ভাষা-পৃ:২০০, লন্ডনে সিলেটি ভাষার গবেষণা কেন্দ্র সিলেটি ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার-পৃ:২০১, সিলেটি নাগরী ও অন্যান্য প্রসঙ্গ-পৃ:২০২, সিলেটি ভাষার প্রস্তাব গৃহীত-পৃ:২০৩, পৃথিবীর ভাষা-পৃ:২০৩, শব্দের মিশ্রণ-পৃ:২০৫
সপ্তম অধ্যায়
পৃ: ২০৬-২৬০
নবীগঞ্জের গণহত্যা ১৯৭১-পৃ:২০৬, ১৩ আগস্ট ১৯৭১ নবীগঞ্জে পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের শিকার নিহতদের একটি তালিকা-পৃ:২০৭, অন্যান্য স্থানে ১৯৭১ সালে পাক-হানাদার বাহিনীর গুলিতে আরও যাঁরা শহিদ হয়েছেন তাঁদের একটি তালিকা তুলে ধরা হলো-পৃ:২০৮, শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা-পৃ:২০৯, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা-পৃ:২১০, আমার দেখা একাত্তর-পৃ:২১৫, 'অপারেশন সার্চলাইট' পঁচিশে মার্চ ১৯৭১-পৃ:২২৩, ইয়াহিয়া-ভুট্টোর গোপন বৈঠক এবং জনতার প্রতি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা-পৃ:২২৫, পাকিস্তানি জেনারেলদের সাথে ইয়াহিয়ার গোপন বৈঠক ও গণহত্যার নির্দেশ-পৃ:২২৫, স্বাধীনতা ঘোষণা-পৃ:২২৭, মুক্তিযুদ্ধের প্রথম হেডকোয়ার্টার তেলিয়াপাড়া চা-বাগান-পৃ:২৩০, দেশব্যাপী গণহত্যা ও নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় মানুষ-পৃ:২৩১, শেরপুর যুদ্ধ-পৃ:২৩১, চট্টগ্রাম থেকে পরিবারের সদস্যদের বাড়ি ফেরা আজও ফিরে আসা হয়নি তসলিমের-পৃ:২৩৫, ১৩ এপ্রিল পাকিস্তান বাহিনী আবারও শেরপুর দখল করে নেয় মুক্তিবাহিনী সরে গেলে পাকিস্তানিরা ঘাঁটি গেড়ে বসে শেরপুরে-পৃ:২৩৬, ১৭ এপ্রিল মুজিব সরকারের শপথ গ্রহণ-পৃ:২৩৬, বুরুঙ্গা ও আদিত্যপুরে গণহত্যা-পৃ:২৩৭, গোয়ালা বাজার থেকে ধরে এনে ৮ জনকে সাদিরপুরে হত্যা-পৃ:২৩৮, হলদারপুর বিয়েবাড়িতে পাকিস্তানিদের বিমান হামলা-পৃ:২৩৮, আমাদের বাড়িতে পাকবাহিনীর হানা-পৃ:২৩৯, বিধুবাবুর বাড়িতে পুলিশি অভিযান এবং এলাকার শতাধিক যুবক নিয়ে বাবুর
মুক্তিবাহিনীতে যোগদানের ঘটনা-পৃ:২৪০, দ্বিতীয় দফা আমাদের গ্রামে পাকবাহিনীর হানা-পৃ:২৪২, তৃতীয় দফা আমাদের গ্রামে পাকবাহিনীর হানা-পৃ:২৪৩, জ্ঞান হারিয়ে এক ব্যক্তি আমাদের বাড়িতে-পৃ:২৪৩, আহমদপুর বাজারে হামলা। আলফু মিয়াকে গুলি-পৃ:২৪৪, আরও কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার বিবরণ-পৃ:২৪৪, নয় মাসের স্মৃতির পাতা থেকে আরও কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা-পৃ:২৪৬, শহিদ বুদ্ধিজীবী অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য-পৃ:২৫৩, শহিদ বুদ্ধিজীবী তালেব উদ্দিন চৌধুরী-পৃ:২৫৫, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার মেজর (অব.) গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী-পৃ:২৫৬, মেজর (অব.) সুরঞ্জন দাস-পৃ:২৫৯
অষ্টম অধ্যায়
পৃ: ২৬১-২৭৭
পরগনা জয়ন্তরী-পৃ:২৬১, হযরত শাহ সদর উদ্দিন কোরেশী (র.)-পৃ:২৬২, এনাতাবাদ সৈয়দ বাড়ি-পৃ:২৬৬, সৈয়দ শাহ সিকন্দর (র.)-পৃ:২৬৮
নবম অধ্যায়
পৃ: ২৭৮-৩০৫
রাঢ় দেশীয় ব্রাহ্মণ-পৃ:২৭৮, গুজরাট থেকে রাঢ়দেশ হয়ে শ্রীহট্ট-পৃ:২৭৯, চৌধুরী খেতাব প্রসঙ্গ-পৃ:২৮০, করিমপুর থেকে কামারগাঁও-পৃ:২৮১, বাহরাম খান চৌধুরী-পৃ:২৮৪, আগনার ঐতিহাসিক বৃত্তান্ত-পৃ:২৮৭, শ্রী শ্রী ঠাকুরবাণী-পৃ:২৯১, শ্রী শ্রী দুর্লভঠাকুর-পৃ:২৯৬, আউল-বাউল-পৃ:২৯৯, মওজুফ ফকির নবীন শাহ-পৃ:৩০০, মজ্জুব ফকির দরছ উল্লাহ-পৃ:৩০১, শায়েখ শাহ মাখদুম (র.) মাছাই শাহ পির-পৃ:৩০১
দশম অধ্যায়
পৃ: ৩০৬-৩২৩
শিক্ষাবিদ গবেষক অধ্যক্ষ কে. কে. পাল চৌধুরী-পৃ:৩০৬, উপাচার্য প্রফেসর মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান-পৃ:৩০৮, প্রধান শিক্ষক দরস আলী-পৃ:৩১০, প্রধান শিক্ষক শ্রীমান অবনীকান্ত চৌধুরী-পৃ:৩১০, শিক্ষক রাজনীতিক চারু চন্দ্র দাশ-পৃ:৩১১, গবেষক দেওয়ান আখতারুজ্জামান চৌধুরী-পৃ:৩১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক মহাপরিচালক সচিব গবেষক দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী-পৃ:৩১৩, গবেষক নজমুল হোসেন চৌধুরী-পৃ:৩১৬, লোকসাহিত্য বিষয়ক গবেষক স্বর্ণপদক বিজয়ী আসমা আব্বাসী-পৃ:৩১৭, লেখক গবেষক আব্দুল কুদ্দুস আদিল-পৃ:৩১৮, চলচিত্র পরিচালক এম এ সামাদ চৌধুরী-পৃ:৩২০, ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ-পৃ:৩২২
একাদশ অধ্যায়
পৃ: ৩২৪-৩৫৬
দ্রোহী কথাসাহিত্যিক আব্দুর রউফ চৌধুরী-পৃ:৩২৪, কবি, কথাশিল্পী ও গবেষক ড. মুকিদ চৌধুরী-পৃ:৩৩৮, এম এ করিম চৌধুরী (করিমদাদ)-পৃ: ৩৫০, লেখক নাছির উদ্দীন আহমদ চৌধুরী-পৃ: ৩৫১, ডা. মোহাম্মদ আফজল মিয়া-পৃ:৩৫২, মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া-পৃ:৩৫৩, গীতিকার এম মুজিবুর রহমান-পৃ:৩৫৫, মাহমুদ এ. রউফ-পৃ:৩৫৬
দ্বাদশ অধ্যায়
পৃ: ৩৫৭-৩৬৯
সাংবাদিকতায় নবীগঞ্জবাসী-পৃ: ৩৫৭, লন্ডনে নবীগঞ্জের আরও যাঁরা-পৃ:৩৬১, নবীগঞ্জ থেকে প্রকাশিত পত্রপত্রিকা-পৃ:৩৬২, নবীগঞ্জ থেকে যাঁরা বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে নবীগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন-পৃ:৩৬৩, কিংবদন্তি সাংবাদিক এম. এ. বশির-পৃ:৩৬৪, সাংবাদিক গবেষক মামুন চৌধুরী-পৃ:৩৬৫, সাংবাদিক দেওয়ান ওয়ালী আহমদ চৌধুরী-পৃ:৩৬৬, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন-পৃ:৩৬৬, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৪-২০২৫-পৃ:৩৬৭, বর্তমানে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য যাঁরা-পৃ:৩৬৮
ত্রয়োদশ অধ্যায়
পৃ: ৩৭০-৩৭২
সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি-পৃ: ৩৭০, লেখকের অন্যান্য বই-পৃ: ৩৭২
উপরোক্ত সূচিপত্র নির্দেশিকা, বইটিতে লেখকের বিচিত্র অনুসন্ধানী গতিপথে, আমাদের কে বইটি আগাগোড়া পড়তে হাতছানি দেয়, এবং বইটি পড়তে মনোনিবেশ করে, আমরা লেখকের নিরলস শ্রম পরিশ্রমের একটি সম্যক ধারণা পেয়ে বিস্ময়াভিভূত না হয়ে পারিনা। এতে এই নিবেদিত, ইতিহাস গ্রন্থ লেখকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা কৃতজ্ঞতা আর আন্তরিক শুভেচ্ছায় আমাদের নিজের অজান্তেই মন ভরে উঠে।
আমরা তাঁর নিরন্তর সাফল্য ও সুদীর্ঘায়ু কামনা করি।
[caption id="attachment_261" align="alignnone" width="264"]
মতিয়ার চৌধুরী [/caption]
৭.
(লেখক সম্পর্কে কিছু জ্ঞাতব্য)
(ক)
বিশিষ্ট, লেখক, গবেষক, গীতিকবি ও প্রকাশক
বাসিয়া প্রকাশনী-মোহাম্মদ নওয়াব আলী
নবীগঞ্জের ইতিকথার শেষ প্রচ্ছদে লেখক সম্পর্কে নিম্নোক্ত অভিমত লিখেছেন:
মতিয়ার চৌধুরী বৃহত্তর সিলেটের সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও গবেষণার পরিমণ্ডলে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, বিশেষ করে, তাঁর শেকড় সন্ধানী গবেষণা গ্রন্থসমূহ 'বিলুপ্ত অধ্যায়। স্থানীয় সরকারের সার্কেল পঞ্চায়েত সরপঞ্চ' 'সিলেট ও সিলেটী ভাষা' গ্রন্থ দুটি মানুষের মনে অভূতপূর্ব সাড়া জাগিয়েছে এবং গুণীজনদের হৃদয় ছুঁয়েছে এসব গবেষণাকর্ম।
আশিকু দশকে সিলেটের প্রাচীনতম সাপ্তাহিক যুগভেরী পত্রিকার বিশেষ সংবাদদাতা হিসেবে সাংবাদিকতার হাতেখড়ি। এরপর স্থানীয়, জাতীয় বেশ কয়েকটি পত্রিকায় কাজ করেছেন। পরবর্তীতে বার্তাসংস্থা বাসস, এনএনবি বর্তমানে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা এএনআই এর লন্ডন ব্যুরো অফিসে কর্মরত।
মতিয়ার চৌধুরী বাংলাদেশের উপজেলাভিত্তিক ইতিহাস রচনার অগ্রদূতদের একজন। ১৯৮৫ সালে তাঁর রচিত নবীগঞ্জের ইতিকথা প্রথম প্রকাশিত হয়। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের বহুগ্রন্থ, গবেষণা ও প্রবন্ধে এই গ্রন্থটি নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং হচ্ছে। দীর্ঘ চল্লিশ বছর পর মূল্যবান এই গ্রন্থের প্রথম সংস্করণ প্রকাশ করতে পেরেছি বলে আমরা গর্বিত।
ইতিহাস ঐতিহ্যের দুর্গম পথের সাহসী পথিক, আমাদের অহংকার মতিয়ার চৌধুরী একজন মানবতাবাদী ব্যক্তি। তাঁর ধ্যান ধারণা, কর্মকাণ্ড মানবতাবাদে পরিপুষ্ট। তিনি আন্তর্জাতিক মানের একজন সাংবাদিক। ব্রিটিশ মেইনস্টীম সাংবাদিক সংগঠন এনইউজের মেম্বার। এ ছাড়া দীর্ঘ সময় লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাব ও ইউকে বাংলা রিপোটার্স ইউনিটির সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৫ সাল থেকে মতিয়ার চৌধুরী প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিদেশে সিলেটি ভাষার গবেষণা করছেন। তিনি সাংবাদিকতা ও গবেষণার জন্য মহাকবি সৈয়দ সুলতান অ্যাওয়ার্ড, আমেরিকান ইন্টারেক্ট অ্যাওয়ার্ড, শ্রীলংকান ফ্রেন্ড ইনডিড অ্যাওয়ার্ড সহ দেশ-বিদেশে একাধিক সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন। সাংবাদিক প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন সময় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নিয়েছেন।
মতিয়ার চৌধুরীর নবীগঞ্জের ইতিকথা ভবিষ্যৎ গবেষক ও ইতিহাস চর্চায় একটি মূল্যবান দলিল হিসেবে কাজ করবে। আঞ্চলিক ইতিহাস যত বেশি তথ্য উপাত্তে সম্বুদ্ধ হবে, তত বেশি জাতীয় ইতিহাস সমৃদ্ধ হবে। গ্রন্থটির কহুল প্রচারের সাথে সাথে লেখকের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।
(খ)
এ স্থলে বর্ষীয়ান লেখক সাংবাদিক ইতিহাস গবেষক জনাব মতিয়ার চৌধুরী সম্পর্কে আমার কিছু জানাশুনা কথা তুলে ধরে এই আলোচনার ইতি টানবো, আমি তাঁকে একজন স্বনামধন্য লেখক হিসেবে পূর্ব থেকেই চিনতাম, কিন্তু উনার সাথে হৃদ্যতা ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ঘটে শাহারপাড়া গ্রামের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট লেখক ও শিক্ষাবিদ মরহুম শাহ আতিকুল হক কামালী' মামার মাধ্যমে। (মতিয়ার চৌধুরী ও শাহ আতিকুল হক কামালী যৌথভাবে সম্পাদনা করেছেন, সিলেট বিচিত্রা, কালের অভিজ্ঞান ইত্যাদি সহ আর বহু সাহিত্য প্রকাশনা) পরিচয়ের পর থেকেই তিনি অত্যন্ত স্নেহ বন্ধনে আবদ্ধ করে নেন আমাকে। ধীরে ধীরে তাঁর সম্পর্কে আমার জানাশুনার পরিধি সমৃদ্ধ হতে থাকে, আমার হাতে আসে তাঁর লেখা কামারগাঁও চৌধুরী পরিবারের সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত (বইটি সচিত্র)
সেখানে আমি লেখকের পারিবারিক অ্যালবামের ছবি থেকে শুরু করে, দেশ বিদেশের স্বনামধন্য রাজনৈতিক, রাষ্ট্র প্রধান, রাষ্ট্রদূত,আমলা, সচিব, সামরিক বেসামরিক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, লেখক সাংবাদিক শিক্ষক, অধ্যাপক, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে লেখকের বিভিন্ন বয়সের বিভিন্ন সময়ের অসংখ্য দুর্লভ ছবি দেখে মুগ্ধ ও বিস্ময়াভিভূত হই। এক জীবনে এত মহামতি মানুষের সান্নিধ্য লাভ, এত দেশ দেশান্তরে ভ্রমনের সুযোগ খুব কম মানুষের ভাগ্যেই জোটে। পাশাপাশি বইটি পড়ে আমি সম্যক অবগত হই তাঁর ছাত্র জীবন থেকে শুরু করে, সৃজনশীল লেখক গবেষক ও সাংবাদিক হিসেবে ক্রমাগত উত্থান, এবং তাঁর বর্ণাঢ্য পেশাগত জীবন সম্পর্কে এক চমকপ্রদ উপাখ্যান। এতে আমি উনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধায় প্লুত আপ্লুত হই। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর একটি গীতিকবিতার বই "বন্ধু ছাড়া কেমনে রই" তাঁর সৃজনশীলতায় এটি এক ব্যতিক্রমী সংযোজন। বিভিন্ন স্বাদের গান রয়েছে তাঁর গীতি গুচ্ছের পাতায় পাতায়: মরমী আধ্যাত্মিক দেশাত্মবোধক, বিরহ বিচ্ছেদ ও রোমান্স ধর্মী সংগীত, এতে আমরা ধরেই নিতে পারি তিনি এক সব্যসাচী লেখক।
কিন্তু এও অনস্বীকার্য তিনি এক গভীর মগ্ন অনুসন্ধানী নিবিড় পাঠকও। বিশ্ব সাহিত্য সংস্কৃতি ইতিহাস ঐতিহ্য শাস্ত্র দর্শন, লোক সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ, তাবৎ বিষয়ের বইয়ের, রয়েছে তাঁর বিপুল সংগ্রহ। দেশে হউক বা বিদেশে, যেখানেই মুল্যবান তথ্য উপাত্ত ও সাহিত্য রসের সন্ধান পান, তিনি তা যেকোন মুল্যে সংগ্রহ করতে চান।
উনার বই সংগ্রহের বাতিক প্রবাদতুল্য।
সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর কিছু সংগ্রহ আমার কাছে ঢাকা থেকে পার্সেল যোগে পাঠিয়েছেন: উৎস প্রকাশনীর মালিক ও সিলেটি নাগরি ভাষার বিশিষ্ট গবেষক, লোক সাহিত্য সংগ্রাহক, লেখক: মোস্তফা সেলিম সাহেব, যা অধিকাংশ তাঁর স্বয়ং সম্পাদিত ও প্রণীত।
সম্মানিত পাঠকের জ্ঞাতার্থে মুল্যবান এই সংগ্রহের একটি তালিকা দিলাম নিম্নে:
১। সিলেট মঞ্জুসা ১ম থেকে ১০ম খণ্ড মোট: ১০ পিছ, বৃহত্তর সিলেট সম্পর্কে পূর্বাপর এবং এ যাবৎ প্রাপ্য সব ইতিহাস ঐতিহ্য, গবেষণা গ্রন্থ এই সিরিজে এক সাথে দশ খণ্ডে গ্রন্থিত--!
:সংগ্রহ ও সম্পাদনা মোস্তফা সেলিম।
২। সিলেটি নাগরী লিপি শিক্ষা- সম্পাদনা ও প্রনয়ন আব্দুল মান্নান ও মোস্তফা সেলিম
৩। নাগরী লিপি নবজীবনের জার্নাল-মোস্তফা সেলিম
৪। সিলেটি নাগরী লিপি সাহিত্যের ইতিবৃত্ত- মোস্তফা সেলিম
৫। গোলাম হুসনের গান- সম্পাদনা মোস্তফা সেলিম
পুঁথি সংগ্রহ
১। খবর নিশান- ফকির ভেলা শাহ
২। মজুমা রাগ হরিবংশ- দীন ভবানন্দ
৩। চন্দ্রমুখী- মুহম্মদ খলিল
৪। মহব্বত নামা- মুন্সী সাদেক আলী
৫। হরিণ নামা- মুন্সী আব্দুল করিম
৬। কড়ি নামা- ঐ
৭। ভেদ চরিত- ফকির আমান
৮। কেতাব হালতুননবী- মুন্সী সাদেক আলী
৯। ছয়ফুল বেদাত- মুন্সী ইরফান আলী
১০। হাশর তরান- শাহ আবদুল ওয়াহাব চৌধুরী
১১। দেশ চরিত- ছৈয়দুর রহমান
১২। হুসিয়ার গাফেলিন- মুন্সী ওয়াজিদ উল্লাহ
১৩। দই খুরার রাগ- মবিন উদ্দিন মুন্সী (দইখুরা)
১৪। হাসর মিছিল- মুন্সী সাদেক আলী
১৫। সোনাভানের পুঁথি- মুন্সী আব্দুল করিম
১৬। বাহরাম জহুরা- মহম্মদ জওয়াদ
১৭। আহকামে চরকা- মৌলভী আকবর আলী
১৮। সহর চরিত- মুন্সী আছদ আলী
১৯। ভেদ কায়া- শাহ আবদুল ওয়াহাব চৌধুরী
নাগরি থেকে বাংলা লিপ্যন্তর - আব্দুল মান্নান এবং সংগ্রহ ও সম্পাদনা মোস্তফা সেলিম।
প্রকাশনায় উৎস প্রকাশন-ঢাকা।
বর্ণিত এই সিরিজ সংগ্রহের বাজার ও বাণিজ্য মুল্য বর্তমানে পঁচিশ হাজার টাকা, কিন্তু এর ঐতিহাসিক ও সাহিত্যমুল্য পঁচিশ হাজার কোটি টাকায়ও পরিশোধ করা যাবেনা।
সত্যি বলতে প্রকৃত সৃজন ও সৃষ্টিশীলতার কোন আর্থিক মুল্য নির্ধারণ করা ধৃষ্টতা। এগুলো অতুল্য আর অমুল্য সম্পদ।
কবি ও লেখক।