
নবীগঞ্জের ইতিকথা’ ভবিষ্যৎ গবেষকদের জন্য একটি সহায়ক দলিল মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা..

(নবীগঞ্জের ইতিকথা)
তৃতীয় বাংলার স্বনামখ্যাত লেখক ও গবেষক সাংবদিক মতিয়ার চৌধুরী রচিত “নবীগঞ্জের ইতিকথা”একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল। এই গ্রন্থে নবীগঞ্জসহ সমগ্র সিলেট অঞ্চলের প্রায় শত বছরের ইতিহাস,ঐতিহ্য তথ্য নির্ভরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বইটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তথা গবেষকদের জন্য সহায়ক গ্রন্থ হিসেবে কাজ করবে. এমন মন্তব্য করেছেন বক্তারা। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়ন পরিষদের সম্মেলন কক্ষে গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি বৃন্দ উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
বক্তারা বলেন, গ্রন্থের লেখক অত্যন্ত সুনিপুণভাবে প্রচীনকাল, মধ্যযুগ, ব্রিটিশ শাসনামল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত নবীগঞ্জের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সামাজিক বিবর্তনের একটি সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর তথ্যচিত্র তুলে ধরেছেন যার অনেক দিক এতদিন সাধারণ মানুষের অজানা ছিল। শুধু গবেষকদের জন্যই নয়, রাজনীতি, সাহিত্য ও লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্যও এই গ্রন্থ একটি সহায়ক দলিল হিসেবে কাজ করবে।
বিজনা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় কুর্শি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক ও গীতিকার এম মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত ও ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে বিভিন্ন গুণীজন বক্তব্য রাখেন। সম্মানীত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এস.আর চৌধুরী সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মিয়া, দিনারপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ তনুজ রায়, কবি, সাহিত্যিক, বিজনা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি এম এ বাছিত, নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ও যুক্তরাজ্য যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি
এনায়েত আহমদ চৌধুরী রেজা,
কবি কয়েস আহমদ মাহদী, ছড়াকার জিয়া জালালী, সাংবাদিক হাসান আহমদ,শ্রমিক নেতা আবজল মিয়া, মনিরুজ্জামান মনির, হারুন মিয়া,
রিপন মিয়া সহ আরো অনেকেই৷
গ্রন্থের লেখক সাংবাদিক ও গবেষক মতিয়ার চৌধুরী (ভার্চুয়ালি), নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার কলামিস্ট ও গবেষক শাহ মনসুর আলী নোমান (ভার্চুয়ালি)। গ্রন্থের লেখক মতিয়ার চৌধুরী ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্যে বিজনা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদসহ আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আমার অনুপস্থিতিতেও আপনারা যেভাবে নবীগঞ্জের ইতিকথা গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন, তাতে আমি আপনাদের কাছে চিরঋণী হয়ে রইলাম। এই ঋণ কোনোদিন শোধ করতে পারব না।
তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ চল্লিশ বছর পর নতুন সংযোজনসহ গ্রন্থটির প্রথম সংস্করণ প্রকাশ করতে পেরে মহান আল্লাহর দরবারে শোকরিয়া আদায় করছি। আপনাদের সকলের সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব হতো না। সাধ্যানুসারে ইতিহাসের অনেক মিক সংযোজনের চেষ্টা করেছি। অনিচ্ছাকৃত কোনো ত্রুটি থাকলে আপনারা নিজ গুণে ক্ষমা করবেন। সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন।